নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা

নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা


আজকের বাংলা খবরঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। এই দুর্নীতিকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) একাধিক হেভিওয়েট নেতাদের। তাঁদের মধ্যে কেউ জেলবন্দি, কেউ জামিনে মুক্ত। এই আবহে রাজ্যের শাসকদলের এক শিক্ষক নেতাকে বরখাস্ত করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বাম আমলে চাকরি পেয়েছিলেন এই শিক্ষক নেতা।

নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা
নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা



তৃণমূল কংগ্রেসের কোন শিক্ষক নেতাকে বরখাস্ত করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)?

তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক সেলের নেতাকে বরখাস্ত করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বরখাস্ত হওয়া এই শিক্ষক নেতার নাম হল শেখ সিরাজুল ইসলাম। শিবপুর দীনবন্ধু ইসস্টিটিউশনের শিক্ষক ছিলেন তিনি। বাম আমলে, ২০০১ সালে এই শিক্ষক নেতা চাকরি পেয়েছিলেন। এবার সেই সিরাজুলকেই বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। আজ থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে, জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।


তৃণমূলের শিক্ষক নেতা সিরাজুল ইসলাম কারচুপি করে চাকরি পেয়েছেন, এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় সিরাজুলের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। পরবর্তীকালে সিআইডি তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শিক্ষক নেতা সিরাজুল। কিন্তু তাতেও কোনও সুরাহা হল না।

নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা
নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা



গত বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) পর্যবেক্ষণে, ওই শিক্ষক নেতা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছেন। ‘এমন ব্যক্তিকে কখনওই শিক্ষকের চাকরিতে রাখা যায় না। ওই শিক্ষকের নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি’,।

চাকরি কারচুপিতে সিআইডি তদন্তে গ্রিন সিগন্যাল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)

চাকরিতে কারচুপির বিষয়ে এদিন সিআইডি তদন্তে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে বেতন হিসেবে নেওয়া টাকা পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে হাওড়ার ডিআই-কে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিচারপতি।

নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা
নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে হয়েছে! তৃণমূলের এই শিক্ষক নেতাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলো কলকাতা হাইকোর্ট! তোলপাড় গোটা বাংলা


আড়াই দশক ধরে চাকরিতে বহাল বরখাস্ত শিক্ষক নেতা

জানা যাচ্ছে, ২০০১ সালেই সিরাজুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিগত প্রায় আড়াই দশক ধরে সেই নির্দেশের তোয়াক্কা না করে চাকরি করে যাচ্ছিলেন এই শিক্ষক নেতা। এবার তাঁকে বরখাস্ত করার কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

এরসাথে, সিরাজুলের বিরুদ্ধে যে ভুয়ো নিয়োগের মামলা চলছিল, সেটা চলবে (Calcutta High Court)। এসএসসির পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। এই বিষয়ে সিঙ্গেল বেঞ্চে মূল মামলাকারীর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, ২০০১ সালে নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা করে চাকরি নিয়েছিল সিরাজুল ইসলাম।


মন্তব্যসমূহ